Education

সিন্ধু বিজয়ের প্রেক্ষাপঠ বিশ্লেষণ

সিন্ধু বিজয়ের প্রেক্ষাপঠ বিশ্লেষণ: ভারত আক্রমণকারী মুসলমানদের মধ্যে আরবরাই প্রথম ভারতে এসেছিল। বস্তুত, ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের বহু আগে থেকেই ভারতের সঙ্গে আরবদের বাণিজ্যিক যোগাযোগ ছিল৷ খ্রিস্টিয় সপ্তম শতকে আরবদেশে ইসলামের আবির্ভাব ও প্রচারের পরও তা অব্যাহত থাকে৷ হযরত ওমর (রাঃ)- এর শাসনামলে ৬৩৬-৬৩৭ সালে মুসলমানরা প্রথম ভারতে অভিযান করে সাফল্য অর্জন সত্ত্বেও এ সময় এবং পরবর্তী সময়ে খলিফাদের সাবধানী নীতির কারণে বিজয় তৎপরতা অব্যাহত থাকেনি৷ সম্প্রসারণবাদী ওমাইয়া খলিফাদের আমলে মুসলমান সাম্রাজ্য বিস্তারের অংশ হিসেবে ভারতে অভিযান পরিচালিত হয়। ইরাকের শাসনকর্তা হাজ্জাজ বিন ইউসুফের উৎসাহে আরবরা সিন্ধু আক্রমণ করে। এই অভিযান প্রেরণের পিছনে নানাবিধ কারণ বিদ্যমান ছিল। প্রথম দুটি অভিযান ব্যর্থ হয়৷ অতঃপর হাজ্জাজ বিন ইউসুফের ভ্রাতুষ্পুত্র ও জামাতা মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে তৃতীয় অভিযান প্রেরিত হয়। সুশৃক্মখল ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আরব সৈন্যবাহিনী যুদ্ধে সহজেই সিন্ধুর রাজা দাহিরকে পরাজিত ও নিহত করে। কাসিম একে একে দেবল, নিরুন, সেহওয়ান, রাওয়ার, ব্রাহ্মণাবাদ, দাহিরের রাজধানী আড়রসহ মুলতান দখল করে খলিফার আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু তাঁর আকস্মিক অপসারণ ও মৃত্যু এদেশে মুসলমান শাসনকে দুর্বল করে দেয়৷ কারণ, তাঁর অসম্পূর্ণ বিজয়াভিযান ও পরবর্তী সময়ে খলিফাদের সহযোগিতা ও সমর্থনের অভাবে সিন্ধু অঞ্চলে আরব শাসন স্থায়িত্ব লাভ করেনি। কিন্তু তা সত্ত্বেও আরবদের সিন্ধু বিজয়কে নিষ্ফল বলা যায় না। রাজনৈতিকভাবেফলাফলবিহীন হলেও এর সামাজিক, বাণিজ্যিক, ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক ফলাফল ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। মুইজউদ্দিন মুহম্মদ ঘুরীর অভিযান পুল্ব ভারতের রাজনৈতিক

অবস্থার বিবরণ:

 মুহাম্মদ ঘোরী ছিলেন একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তি। স্বভাবতই একটি বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপনে তিনি ছিলেন আগ্রহী। তবে তাঁর ভারত আক্রমণের বিশেষ কয়েকটি কারণ ছিল। প্রথমত, সুলতান মাহমুদের মত ঘোরীরাও মধ্য এশিয়ায় একটি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে অঞ্চলে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় তাঁরা সেলজুক তুর্কি ও খাওয়ারিজম শাহ দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হন৷ একাধিকবার ঘোরীরা খাওয়ারিজমের শাহের হাতে পরাজয় বরণ করে সে আশা ত্যাগ করে এবং ভারতের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে বাধ্য হয়৷ সুলতান মাহমুদের মৃত্যুর প্রায় ১৫০ বছর পরমুহাম্মদ ঘোরী ভারত আক্রমণ করেন। ঘোরীর আক্রমণের প্রাক্কালে উত্তর ভারত বেশ কয়েকটি ছোট ছোট রাজ্যে বিভক্ত ছিল৷পাঞ্জাবে সুলতান মাহমুদের এক বংশধর খসরু মালিক রাজত্ব করছিলেন। উত্তর সিন্ধু ও মুলতান ছিল কারামতীয়দের অধীনো নিম্ন সিন্ধু অঞ্চল ছিল সুরা বংশের শাসনাধীন। এর রাজধানী ছিল দেবল। গুজরাট ছিল বাঘেলাদের শাসনাধীনা আজমীরে রাজত্ব করছিলেন চৌহান রাজারা। ক্রমে চৌহানরা শক্তিশালী হয়ে ওঠেন এবং ১১৫০ খ্রিস্টাব্দে তাঁরা দিল্লি ও দখল করে নেয়াউত্তর-পূর্ব রাজপুতানাও তাঁরা অধিকার করে৷ মুহাম্মদ ঘোরীর আক্রমণের সময় পৃথ্বিরাজ ছিলেন দিল্লি ও আজমীরের রাজা। কনৌজে তখন রাজত্ব করতেন গাহড়বাল বংশীয় রাজা জয়চন্দ্র৷ চৌহান ও গাহড়বাল রাজাদের মধ্যে আবার ছিল শত্রুতা। পূর্ব ভারতে বিহারে পালরা এবং বাংলায় সেনরা রাজত্ব করছিলেন। উত্তর ভারতীয় হিন্দু রাজাদের মধ্যে কোনো ঐক্য ছিল না, বরং একে অপরের শত্রু ছিলেন। তাঁদের এই অনৈক্য মুহাম্মদ ঘোরীর সাফল্যের সহায়ক হয়েছিল৷

সিন্ধু বিজয়ের ইতিবাচক ফলাফল

মুহম্মদ বিন-কাসিমের অকাল মৃত্যুর ফলে তাঁর বিজয় অভিযান সিন্ধু ও মুলতানেই সীমাবদ্ধ ছিল। বিশেষত এ কারণেই মুসলমানদের সিন্ধু বিজয়ের ফলাফল সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের মধ্যে দ্বিমত রয়েছে। স্ট্যানলি লেনপুল মন্তব্য করেছেন, “ভারত ও ইসলামের ইতিহাসে আরবদের সিন্ধু বিজয় একটি উপাখ্যান মাত্র, এটি একটি নিষ্ফল বিজয়৷” কোন কোন ঐতিহাসিক তাঁর এই মন্তব্যকে সমর্থন করলেও কিছুঐতিহাসিক মনে করেন মুহম্মদ বিন-কাসিমের সিন্ধু বিজয়ের ফলাফল ছিল সুদূর প্রসারী।রাজনৈতিক ফলাফল একথা সত্য যে, মুহম্মদ বিন-কাসিমের বিজয় শুধুমাত্র সিন্ধু ও মুলতাসেই সীমাবদ্ধ ছিল৷ কিন্তু তাই বলে এ বিজয়কে নিষ্ফল বলা যায় না। আরবরা সিন্ধু অঞ্চলে এক উন্নত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলে৷ আৱব সৈন্যদের মধ্যে অনেকেই সিন্ধুতে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করেন এবং কেউ কেউ স্থানীয় রমণীও বিয়ে করেন। এভাবে ভারতে স্থায়ী মুসলমান বসতি গড়ে ওঠে। তারা রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করে। আরব বংশধর ও হিন্দুগণ দীর্ঘকাল পাশাপাশি বসবাস করে। একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, মুহম্মদ বিন কাসিমের বিজয় সুলতান মাহমুদকে বারবার ভারত অভিযানে অনুপ্রাণিত করেছিল। সুলতান মাহমুদের পর মুহম্মদ ঘোরি ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জয় করেন। তবে মুহম্মদবিন-কাসিমের বিজয়কে ভিত্তি করেই পরবর্তীকালে ভারতে দীর্ঘস্থায়ী মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। সামাজিক ও অর্থনৈতিক ফলাফল সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সিন্ধু বিজয়ের সুদূরপ্রসারী ফলাফল ছিল লক্ষ্যণীয়। স্থানীয় অধিবাসীগণ মুসলমানদের সংস্পর্শে আসার কারণে তারা ইসলামের সাম্য ও মৈত্রীর আদর্শ দ্বারা আকৃষ্ট হয়। জাঠ ও মেওয়াটগণ মুসলমানদের স্বাগত জানিয়েছিল৷ হিন্দুধর্মের জাতিভেদ প্রথা এবং সামাজিক বৈষম্য থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য নিম্নশ্রেণীর হিন্দুদের মধ্যে অনেকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়। মুসলমানদের সংস্পর্শে আসার ফলে ভারতীয় সমাজের বর্ণভেদ ও জাতিভেদ প্রথার কঠোরতা বহুলাংশে হ্রাস পায়। এই বিজয়ের ফলে আরব সাম্রাজ্যের সাথে ভারতের ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয় এর ফলে দক্ষিণ এবংদক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার উপকূলে আরবদের সামুদ্রিক বাণিজ্য সুদূর প্রসারী হয়। ফলে দু’ পক্ষই অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভবান হয়। সাংস্কৃতিক ফলাফল সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে আরবদের সিন্ধু বিজয়ের ফলাফল ছিল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। সিন্ধু বিজয়ের পূর্বে আরবগণ গ্রিক, মিসরীয়, মেসোপটেমীয় এবং পারসিক সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হয়। তারা এ সকল সংস্কৃতির মধ্যে এক ধরনের সমন্বয় সাধন করে। মুসলমানগণ যখন ভারতে আসে তখন তারা ছিল এই সমন্বিত সংস্কৃতি ও সভ্যতার অধিকারী। ভারতীয়রা দর্শন, সাহিত্য, গণিত, চিকিৎসাশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যা, সংগীত, চিত্রশিল্প প্রভৃতিতে প্রাচীনকাল থেকেই উন্নতি সাধন করেছিল। ভারতীয় সভ্যতা ও ইসলামি সভ্যতার মধ্যে যোগাযোগের ফলে ভাবের আদান-প্রদান ও সংমিশ্রণ ঘটে। আব্বাসীয় যুগের খলিফাগণ ভারতীয়জ্ঞান-বিজ্ঞানের বই-পুস্তক আরবি ভাষায় অনুবাদ করার ব্যবস্থা করে এক স্বর্ণযুগের সূচনা করেছিলেন। উদাহরণ হিসেবে ‘সিন্দহিন্দ’ নামক গ্রন্থের কথা উল্লেখ করা যায়। খলিফা মনসুরের আমন্ত্রণে কয়েকজন ভারতীয় পন্ডিত বাগদাদ যাওয়ার সময় সাথে নিয়ে যান জ্যোতির্বিদ্যার উপর লিখিত ‘সিদ্ধান্ত’ নামক সংস্কৃত গ্রন্থটি। আরবীয় পন্ডিতগণ এটি আরবি ভাষায় অনুবাদ করেন। DENT অনূদিত গ্রন্থটির নামকরণ করা হয় ‘সিন্দহিন্দ’। ভারতীয়দের কাছ থেকেই আরবগণ গাণিতিক সংখ্যা সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। চিকিৎসা শাস্ত্রের উপর লিখিত ‘চরক’ ও ‘সুশ্রুত’ আরবিতে অনূদিত হয়৷ ‘পঞ্চতন্ত্রের’ হিতোপদেশ আরবিতে অনূদিত হয়ে

আরব ভূখন্ডে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। মুইজউদ্দিন মুহম্মদ ঘুরি কর্তৃক ভারত অভিযানের ইতিবাচক ফলাফল:তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ ভারতের ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। বলা যেতে পারে যে, রাজপুতদের এই জোটের বিরুদ্ধে মুহাম্মদ ঘোরীর জয় ভারতে মুসলমান শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। এর পর মুহাম্মদ ঘোরী এবং তাঁর সেনাপতিরা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল জয় করে এই দেশে মুসলিম রাজ্যের বিস্তার ঘটান৷ হিন্দুদের জন্য তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ ছিল দুর্ভাগ্যজনক৷এই যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে রাজপুতদের প্রতিরোধ শক্তি ভেঙ্গে পড়ে। এর পর ভারতের হিন্দুরা মুসলমানদের বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আর কোনো জোট গঠন করতে সক্ষম হয়নি৷ এই যুদ্ধে জয়লাভের ফলে মুসলমানদের অধিকার প্রায় দিল্লির উপকণ্ঠ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। হান্‌সি, সামানা, কোহরাম, বাকুহারাম ও অন্য বেশ কয়েকটি দুর্গ মুহাম্মদ ঘোরীর করতলগত হয়। আজমীররাজ্য মুহাম্মদ ঘোরীর হাতে বিধ্বস্ত হয়। মুহাম্মদ ঘোরী আজমীরের হিন্দু মন্দির ও অন্যান্য বহু ইমারত ধ্বংস করেন এবং সেখানে মসজিদ ও মাদ্রাসা স্থাপন করেন৷ বাৎসরিক কর দানের শর্তে আজমীর শহরটি পৃথ্বিরাজের পুত্রের হাতে ন্যস্ত করা হয়। তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধের পর মুহাম্মদ ঘোরী কুতুবউদ্দিন নামে তাঁর এক বিশ্বস্ত অনুচরকে তাঁর বিজিত ভারতীয় অঞ্চলের শাসনকর্তা নিয়োগ করে গজনী ফিরে যান। কুতুবউদ্দিন ১১৯৩ খ্রিস্টাব্দে দিল্লি জয় করেন এবং একে একে মীরাট, কোল, গোয়ালিয়র ইত্যাদি দখল করেন। কুতুবউদ্দিন দিল্লিতে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।

পরবর্তী রাজনীতিতে মুসলিম অভিযানসমূহের প্রভাব:

রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ফলাফল মুহম্মদ ঘোরির ভারত অভিযান পূর্ববর্তী মুসলিম অভিযানগুলোর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ফলাফলেরতুলনায় বেশী ছিল। মুহম্মদ বিন-কাসিমের বিজয় শুধুসন্ধু ও মুলতানে সীমাবদ্ধ ছিল। সুলতান মাহমুদ ১৭ বার ভারত অভিযান করলেও এর তাৎক্ষনিক কোন রাজনৈতিক ফলাফল ছিল না। তাঁর অভিযানগুলো ভারতীয় রাজন্যবর্গের সামরিক শক্তি দুর্বল করে দিয়েছিল। পক্ষান্তরে মুহম্মদ ঘোরির ভারত অভিযান এদেশে মুসলমান শাসন স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত করে। তিনি মুলতান, সিন্ধু ও পাঞ্জাৰ দখল করার পর ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। তরাইনের যুদ্ধে জয়লাভের ফলে তিনি আজমীর পর্যন্ত এলাকা জয় করেন। তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধের গুরুত্ব সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে ডি.এ. স্মিথ বলেন, “এই যুদ্ধ হিন্দুস্থানের উপর মুসলিম আক্রমণের চরম সাফল্যের নিশ্চয়তা দান করেছিল৷” বিজিত এলাকা শাসন করার জন্য তিনি তাঁর সেনাপতি কুতুবউদ্দিনআইবেককে প্রতিনিধি হিসেবে রেখে যান৷ কুতুবউদ্দিনও ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল জয় করে উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা মুসলিম শাসনাধীনে আনেন। বস্তুত কুতুবউদ্দিনের বিজয় ছিল তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে মুহম্মদ ঘোরির বিজয়েরই যৌক্তিক পরিণতি। কনৌজ ও বারাণসী জয় করে মুহম্মদ ঘোরি ভারতে মুসলিম বিজয়কে সুসংহত করেন। এরপর বখতিয়ার খলজির বিহার ও বাংলা জয়ের মধ্য দিয়ে প্রায় সমগ্র উত্তর ভারতে মুসলিম রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। মুসলিম সাম্রাজ্য | এক নতুন প্রশাসনিক বসলামি রাজনীয় ব্যবস্থাপকদের সম্প্রসারণ ও প্রতিষ্ঠিত সাম্রাজ্য শাসনের জন্য প্রয়োজন পড়লো নতুন প্রশাসনের৷ মুহম্মদ ঘোরির প্রতিনিধি হিসেবে কুতুবউদ্দিন ভারতীয় প্রশাসনিক রীতির সাথে ঘটান। ফলে উদ্ভব ঘটে হাতে ন্যস্ত করেন। বিচার কাজ সম্পন্ন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য মুসলমান কাজী ও ফৌজদার নিযুক্ত হন৷।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button